বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ০১:১৩ PM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

সমবায় বলতে সাধারণত সামষ্টিক কার্যক্রমকে বুঝায়। একাধিক মানুষজন একত্রে মিলিত হয়ে নিজেদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকল্পে দল গঠন (group formation) সমবায়ের পূর্বশর্ত। দল গঠনের পরপরই যে উপাদানগুলো সমবায়কে অর্থবহ একটি সংগঠনে রুপান্তর করে তা হচ্ছে পুঁজি গঠন ও পুঁজির যৌথ বিনিয়োগ। আধুনিককালে অনানুষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠা সমবায় সমূহকে আইনগত কাঠামো দেয়ার লক্ষ্যে বিশ্বের দেশে দেশে সমবায় সমিতি আইন ও বিধিমালা প্রণীত হয়েছে। সমবায় আইন ও বিধিমালা প্রণয়নের ফলে আধুনিক কল্যাণমূখী রাষ্ট্রে বিভিন্ন শ্রেণী- পেশার মানুষের মাঝে সমবায় প্রত্যয়টি একটি জনপ্রিয় কর্মকৌশল (strategy) হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এছাড়া ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অনগ্রসর শ্রেণী সমবায়ের ছায়াতলে অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ন অংশীদার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। বাংলাদেশ ও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে সমবায় সমিতি আইন ২০০১; সংশোধিত ২০০২ ও সংশোধিত ২০১৩ এর আলোকে সমবায়সমূহ সংগঠিত হচ্ছে এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমবায় অধিদপ্তর সমবায় সমূহের নেতৃত্ব প্রদান ও সমবায় কার্যক্রমের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে আসছে।


এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন